UncategorizedKayifamily Episode

Kurulus Osman 135 Bangla

Kurulus Osman 135 Bangla Review

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় কুরুলুস প্রেমী ভাই ও বোনেরা। আশাকরি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমরা আজ গত ভলিউম অর্থাৎ ১৩৪ ভলিউমের বেশ কয়েকটি অংশ নিয়ে আলোচনা করব।

১. লেফকে দূর্গ জয় ও হস্তান্তর : আমরা দেখেছি সিজন ৫ এর শুরুর দিকে সুলতান মেসউদ মৃত্যু বরণ করেছেন। যার ফলে কে সুলতান হবে তা নিয়ে উসামন বে ও ইয়াকুপ বে’র মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়। আমরা ভলিউম ১৩৩ এর শেষ দিকে দেখেছি উসমান বে লেফকে জয় করার প্রস্তুতি নিয়ে পতাকাবিহীনদের সাথে নিয়ে লেফকের দিকে যায়। কিন্তু এর আগেই ইয়াকুপ বে লেফকে দূর্গ জয় করে ফেলে।

ভলিউম ১৩৪ এ শুরুতে আমরা দেখতে পাই, উসমান বে লেফকে দূর্গে যান এবং তিনি ইয়াকুপ বে’র সম্মুখীন হয়। কারণ ইতিমধ্যে ইয়াকুপ বে লেফকে দখল করেন। ইয়াকুপ বে উসমান বে-কে বিভিন্ন ভাবে দোষারোপ করে পতাকাবিহীনদের সাথে নিয়ে আসার জন্য। কারণ পতাকাবিহীনরা বিভিন্ন কাফেলাই আক্রমণ করে লুটপাট করে। যার কারণে দূর্গ জয়ের উদ্দেশ্যকে তিনি ছোট করে দেখেন।

ইয়াকুপ বে জনগন ও বেগনের সামনে নিজেকে যোগ্য নেতা হিসাবে প্রমাণ করতে নিজের জয় করা লেফকে দূর্গ উসমান বে’র হাতে হস্তান্তর করেন। যদিও উসমান বে লেফকে দূর্গ জয় করেনি। লেফকে দূর্গ হস্তান্তর করার পর ইয়াকুপ বে উসমান বেকে তার প্রতি আনুগত্য আঙ্গীকার করার প্রস্তাব দেন। যদিও উসামন বে অস্বীকার করেন। তারপর ইয়াকুপ বে গার্মিয়ানদের সীমান্তবর্তী নতুন বাজারে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রন জানিয়ে, দূর্গ ত্যাগ করেন।

আর উসমান বেও বুঝতে পারেন যে, ইয়াকুপ বে উসমান বেকে ছোট করার জন্য এবং খ্যাতি নষ্টা করার জন্য দূর্গ হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়ে ছিল। উসমান বেও সাদরে গ্রহণ করেন। কারণ, যদি উসমান বে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতো তাহলে উসমান বে সকল বে ও জনগনের সামনে বিদ্রোহী হিসাবে প্রমাণিত হতো। শুধু তা না উসমান বে শান্তি চাই না, যুদ্ধ আর লুটপাট ছাড়া আর কিছু করতে জানে না।যার করণের উসমান বে লেফকে দূর্গ গ্রহণ করেন। তারপর উসমান বে দূর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

২. গুপ্তধন উদ্ধারঃ আমরা গত ভলিউম ১৩৩ এ দেখেছিলাম উরহান বে কালো আখড়া নামক জায়গায় যান গুপ্তধন উদ্ধার করতে। আর তাকে পিছন থেকে মেহমেত বে ও আত্মাজা নিজেদের পরিচয় গোপন করে ক্রুসেডদের পোশাক পড়ে আক্রমন করে। আর ঐ আক্রমনে উরহান বে আহত হন। ভলিউম ১৩৪ এ দেখতে পাই হোলোফেরার সহযোগীতায় ও দরবেশ ইউনুছ এমরের চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হন। আর মেহমেত বে গুপ্তধন উদ্ধার করে গার্মিয়ান বসতির দিকে রওয়ানা হয়েছিল।

যেহেতু গুপ্তধন উদ্ধার করার দায়িত্ব উরহান বে’র উপর ছিল, তাই উরহান বে নিজের জীবনের কথা চিন্তা না করে গুপ্তধন উদ্ধার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। উরহান বে গুটিকয়েক জন আল্প নিয়ে মেহমেত বের কৌশল অবলম্বন করে নিজের পরিচয় গোপন করে মঙ্গলদের পোশাক পড়ে বিশাল সেনাবাহিনী ও মেহমেত বে’র উপর আক্রমণ করেন। মেহমেত বেও গুরুতর আহত হন। আর উরহান বে গুপ্তধন উদ্ধার করে ইয়েনিশেহিরে নিয়ে আসেন।

৩. হোলোফেরার জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তঃ উরহান বে ও হোলোফেরা গুপ্তধন নিয়ে এক সাথে ইয়েনিশেহির প্রাসাদে আসেন। মালহুন হাতুন যখন জানতে পারেন, হোলোফেরা উরহান বে-কে আহত অবস্থা থেকে সুস্থ করতে সহযোগীতা করেছে।তখন মালহুন হাতুন হোলোফেরার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উরহান বে যখন আহত হয়েছিলেন তখন আমরা দেখেছি, হোলোফেরা উরহান বের প্রতি কতটা যত্নবান এবং প্রমাণিত হয়েছে যে, হোলোফেরাও উরহান বে-কে অনেক ভালোবাসে।

কিন্তু হোলোফেরার প্রতি মালহুন হাতুন অসন্তুষ্ট থাকাই মালহুন হাতুন উরহান বেকে নির্দেশ দেন হোলোফেরাকে তার জন্মভুমিতে ফিরে যাওয়ার ব্যবাস্থা নিতে। হোলোফেরার প্রতি প্রেমেরটান থাকা সত্যেও উরহান বে তার মায়ের আদেশ মানতে বাধ্য হন। আর হোলোফেরাও তার ভালোবাসাকে রেখে জন্মভুমিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। যদি হোলোফেরা থাকতে চাই, তাহলে উরহান বে তার মা মালহুন হাতুনকে বুঝাবেন এই প্রতিশ্রুতি দিয়েও হোলোফেরাকে রাজি করাতে পারেনি।

৪. ইয়েনিশেহির প্রসাদে গুপ্ত হামলা, গুপ্তধন চুরি ও বোরান বে গুরুতর আহতঃ উসমান বে লেফকে দূর্গ থেকে ইয়েনিশেহির প্রাসাদে ফিরে আসার সময় মাঝ পথে এক বাণিজ্যিক কাফেলার  সাথে দেখা হয়। এই কাফেলার প্রধান আয়হান আগা’র সাথে উসমান বে পরিচিত হন। ঠিক তখনি কাফেলার উপর ক্রুসেডসৈন্য আক্রমণ করে। উসমান বে ও তারা আল্পরা মিলে তা প্রতিহত করেন।

আয়হান বে’র  কাফেলাকে উসমান বে রক্ষা করাই, আয়হান বে উসমান বেকে এর বিনিময়ে উপহার দেন। কিন্তু উসমান বে স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে তা গ্রহণ করেন। উসমান বেও আয়হান বেকে ইয়েনিশেহির প্রাসাদে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে চলে আসেন ইয়েনিশেহির প্রাসাদে। কিন্তু আয়হান বে ছিল একজন ছদ্মবেশী বণিক। তার আসল পরিচয় হলো সে ক্রসেডদের নেতা।  সে হলো উস্তাদ ঘেরা।

আর উস্তাদ ঘেরার নির্দেশেই ভ্যাসিলিস ইয়েনিশেহির প্রাসাদে ছদ্মবেশে প্রবেশ করেছিল। মাঝ পথে কাফেলাই আক্রমনটি ছিল একটি ষড়যন্ত। উস্তাদ ঘেরা ও ভ্যাসিলিস  পরিকল্পনা করে যে, তারা ইয়েনিশেহিরে গুপ্ত হামলা করবে এবং গুপ্তধন চুরি করবে। উসমান বে’র  অনুপস্থিতিতে ভ্যাসিলিস ও আত্মাজা তাদের সহযোগীদের নিয়ে গুপ্ত হামলা করে।  ঐ হামলা বোরান বে গুরুতর আহত হন।  আর তারা কোষাগার থেকে সকল ধন-সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়।

৫.  উসমান বে ইয়াকুপ বে’র প্রতি আনুগত্য অঙ্গীকারঃ ছদ্মবেশী আয়হান বে ইয়েনিশেহিরে আসার পর, উসমান বে আয়হান বেকে সাথে নিয়ে গার্মিয়ানদের সীমন্তবর্তী নতুন বাজারে যান। তারপর তিনি কায়ী বসতির দোকান পরিদর্শন করেন। আর আয়হান বে নতুন বাজার দেখে উসামন বে-কে প্রস্তাব দেন যে, সীমান্তবর্তী নতুন বাজারের এক পাশের সবগুলো দোকান কেনার জন্য। more

যাতে উসামন বে’র সাথে আয়হান বে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে এবং কায়ী বসতির প্রভাব বাজারে বেশি থাকে। যা ছিল উস্তাদ ঘেরা অর্থাৎ ছদ্মবেশী আয়হান বে’র প্ররোচনা ও ষড়যন্ত। উসমান বেও বাণিজ্যের স্বার্থে অনেক গুলো দোকান কিনে ফেলেন। ইয়াকুপ বে’র তাবুতে রাতের ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল উসমান বের জন্য। খাবারের টেবিলে বসে ইয়াকুপ উসমান বেকে জিজ্ঞাসা করেন, উসমান বে ইয়াকুপ বে’র প্রতি আনুগত্যের আঙ্গীকার করবে কিনা। তারপর উসামন বেও জানতে চান, More

কেনো উসমান বে জয় করতে যাওয়া দূর্গ তিনি আগবাড়িয়ে আগেই দখল করলেন। এক পর্যায়ে একে অপরকে দোষারোপ করা শুরু করেন। উসমান বে’র ইচ্ছা না থাকার সত্যেও কৌশলগত কারণে ইয়াকুপ বে’র প্রতি আনুগত্য অঙ্গীকার করেন। যতদিন ইয়াকুপ বে কালিমার দাওয়াতে পথ থেকে বিচ্যুত হবেন না ততদিন উসামন বে তার পিছনে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। লেখক- মো: দেলোয়ার হোসেন

কুরুলুস উসমান ১৩৫ বাংলা সাবটাইটেল

Server-1

Server-2

Server-3

Server-4

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button